গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় ব্যবহৃত গুলির সূত্র ধরে তার খুনিদের শনাক্ত করে পুলিশ।
বুধবার সকালে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে 'মিট দ্য প্রেস' অনুষ্ঠানে এ কথা জানান পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক।
![]() |
| গ্রেফতার ডা. আবদুল কাদের খানকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে আদালতে নেয় পুলিশ- ফোকাস বাংলা |
তিনি জানান, এমপি লিটনের খুনিরা গত ৩০ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের ধোপাডাঙ্গায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলটি ব্যবহার করে ভয় দেখিয়ে ফাহিম নামে এক যুবকের কাছ থেকে তার মোবাইল ও টাকা-পয়সা ছিনতাই করে। ছিনতাই শেষে তাড়াহুড়া করে পালাতে গিয়ে পিস্তলের ৬ রাউন্ড বুলেটের ম্যাগাজিনটি তাদের অগোচরে রাস্তায় পড়ে যায়, যা স্থানীয় জনগণের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ উদ্ধার করে।
ডিআইজি ফারুক জানান, ওই পিস্তলের বুলেট পরীক্ষা করে দেখা যায়, এমপি লিটনের শরীর থেকে অপারেশন করে বের করা এবং তার বাড়িতে হত্যার পর পাওয়া বুলেটের খোসার সঙ্গে ওই ম্যাগাজিনের বুলেটের মিল রয়েছে। পরে ওই সূত্র ধরে খুনিদের আটক করা হয় এবং পিস্তলটি পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
এছাড়া গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক সাংসদ ও জাতীয় পার্টি নেতা কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান এমপি লিটন হত্যার 'মূল পরিকল্পনাকারী' বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। বগুড়া শহরের রহমাননগর জিলাদারপাড়ার ক্লিনিক কাম-বাসভবন থেকে মঙ্গলবার বিকেলে কাদের খানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এমপি লিটন হত্যায় চারজন অংশ নেয় উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কাদের খানের গাড়িচালক আবদুল হান্নান, দুই গৃহকর্মী শাহিন মিয়া ও মেহেদী হাসান এবং তাদের সহযোগী রানা হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। এদের মধ্যে প্রথম তিনজন গ্রেফতার আছেন এবং রানা পলাতক।
উতসঃ সমকাল


0 comments: